বিড়ালের মনের কথা কীভাবে বুঝবেন

ডেস্ক: আহ্লাদী, আদুরে, ঘুমকাতুরে আর আয়েশি পোষা প্রাণী হিসেবে দুনিয়াজোড়া মানুষের পছন্দের শীর্ষে বিড়াল। সারাদিনই ঘরজুড়ে নানান কর্মকান্ডে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় তাকে। কখনও মিউ মিউ, কখনও ঘড়ঘড় শব্দ করে আবার কখনও ঘরজুড়ে খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকে পোষা বিড়াল। কিন্তু এই প্রতিটি আচরণই আমাদের বিড়ালের মেজাজ সম্পর্কে ধারণা দেয়।

উত্তেজিত বা আনন্দের অনুভূতি থেকে শুরু করে মানসিক চাপ কিংবা হতাশা সব ধরনের মেজাজ বা মুডই বিড়ালদের থাকে। যোগাযোগের জন্য বেড়াল তার লেজ থেকে শুরু করে চোখ, কান তথা পুরো শরীর ব্যবহার করে। চলুন জেনে নেই বেড়ালের শারীরিক ভাষা এবং কণ্ঠস্বর বুঝে তার মেজাজ সম্পর্কে কীভাবে ধারণা পাওয়া যায়।

 ,[object Object],[object Object],বিড়াল সাধারণত বেশ নিশ্চিন্ত ও সন্তুষ্ট অর্থাৎ আরামদায়ক ভঙ্গিতে থাকে। এমন মেজাজে থাকলে তাদের বেশ ফুরফুরে দেখা যায়। সাধারণত যেকোনো একপাশে কাত হয়ে বা পেছনে হেলান দিয়ে পা ছড়িয়ে শুয়ে থাকে। মেঝেতে নখ দিয়ে ঘষতে থাকে বা গরগর শব্দ করতেও দেখা যায়। আরামদায়ক মেজাজে থাকলে বেশিরভাগ সময়ই বেড়ালের লেজটি স্থির থাকে, কান খাড়া থাকে, চোখের পাতা পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ করে রাখে।,[object Object],আপনার নরম তুলতুলে বিড়ালটি যখন আপনার দিকে আংশিক বন্ধ চোখে বা মিটমিট করে তাকায়, তখন বুঝবেন সে আপনাকে এতটাই ভরসা করে যে আপনি আশেপাশে থাকলে তার শত্রুদের বিষয়ে সতর্ক থাকার কোনো প্রয়োজন নেই।

বিড়াল যখন নিশ্চিন্ত ও সন্তুষ্টচিত্তে থাকে: বিড়াল সাধারণত বেশ নিশ্চিন্ত ও সন্তুষ্ট অর্থাৎ আরামদায়ক ভঙ্গিতে থাকে। এমন মেজাজে থাকলে তাদের বেশ ফুরফুরে দেখা যায়। সাধারণত যেকোনো একপাশে কাত হয়ে বা পেছনে হেলান দিয়ে পা ছড়িয়ে শুয়ে থাকে। মেঝেতে নখ দিয়ে ঘষতে থাকে বা গরগর শব্দ করতেও দেখা যায়। আরামদায়ক মেজাজে থাকলে বেশিরভাগ সময়ই বেড়ালের লেজটি স্থির থাকে, কান খাড়া থাকে, চোখের পাতা পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ করে রাখে।

আপনার বিড়ালটি যখন আপনার দিকে আংশিক বন্ধ চোখে বা মিটমিট করে তাকায়, তখন বুঝবেন সে আপনাকে এতটাই ভরসা করে যে আপনি আশেপাশে থাকলে তার শত্রুদের বিষয়ে সতর্ক থাকার কোনো প্রয়োজন নেই।

 ,[object Object],[object Object],আপনার আদুরে বিড়ালটি যখন খুব ধীরে ধীরে আপনার দিকে পিটপিট করে তাকাবে বা আপনার শরীরে আলতোভাবে মাথা বা পিঠ ঘষবে তখন বুঝবেন সে খুব আনন্দে আছে।,[object Object],একটি হাসিখুশি বিড়াল নিশ্চিন্তমনের বিড়ালের চেয়ে বেশি চঞ্চল দেখা যায়। বাড়ির অন্য বিড়াল, কুকুর বা মানুষের সঙ্গে খুব আনন্দের সঙ্গে মিয়াও বা গড়গড় আওয়াজ করতে দেখা যায় তাদের। খুব খুশি মেজাজে থাকা বিড়ালের লেজ সাধারণত সোজা থাকে আর লেজের লোমগুলো ফুলে থাকার পরিবর্তে সমান থাকে। কানটি সামনের দিকে খাড়া হয়ে থাকে।

আনন্দিত বিড়াল: আপনার আদুরে বিড়ালটি যখন খুব ধীরে ধীরে আপনার দিকে পিটপিট করে তাকাবে বা আপনার শরীরে আলতোভাবে মাথা বা পিঠ ঘষবে তখন বুঝবেন সে খুব আনন্দে আছে। একটি হাসিখুশি বিড়াল নিশ্চিন্তমনের বিড়ালের চেয়ে বেশি চঞ্চল দেখা যায়। বাড়ির অন্য বিড়াল, কুকুর বা মানুষের সঙ্গে খুব আনন্দের সঙ্গে মিয়াও বা গড়গড় আওয়াজ করতে দেখা যায় তাদের। খুব খুশি মেজাজে থাকা বিড়ালের লেজ সাধারণত সোজা থাকে আর লেজের লোমগুলো ফুলে থাকার পরিবর্তে সমান থাকে। কানটি সামনের দিকে খাড়া হয়ে থাকে।

 ,[object Object],[object Object],একটি চঞ্চল বা খেলাধুলার মেজাজে থাকা বিড়ালের মিউ মিউ ডাক বা আনন্দ দেখে আপনার নিজেরই তাকে কোলে নিয়ে আদর করতে ইচ্ছে করবে। মানুষ বা অন্য বিড়ালের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ বোঝানোর জন্য লেজটি উপরের দিকে টান করে থাকে এবং নাড়তে থাকে। বেশিরভাগ সময়ই তারা শিকারি বিড়ালের মতো খেলাধুলা করে। বিড়াল খেলনা বা লেজার লাইটের মতো কোনও জিনিস নিয়ে খেলতেও ভালোবাসে৷

চঞ্চল/কৌতুহলী বিড়াল : একটি চঞ্চল বা খেলাধুলার মেজাজে থাকা বিড়ালের মিউ মিউ ডাক বা আনন্দ দেখে আপনার নিজেরই তাকে কোলে নিয়ে আদর করতে ইচ্ছে করবে। মানুষ বা অন্য বিড়ালের সঙ্গে তাদের বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ বোঝানোর জন্য লেজটি উপরের দিকে টান করে থাকে এবং নাড়তে থাকে। বেশিরভাগ সময়ই তারা শিকারি বিড়ালের মতো খেলাধুলা করে। বিড়াল খেলনা বা লেজার লাইটের মতো কোনও জিনিস নিয়ে খেলতেও ভালোবাসে৷

 ,[object Object],[object Object],এ ধরনের মেজাজে থাকা বেড়াল প্রায়ই লুকিয়ে থাকে, যেন এমন কিছু থেকে দূরে থাকতে চায় যা তাদের মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। কোথাও লুকিয়ে থাকতে না পারলে তারা শরীরের অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে এমন কিছু ইঙ্গিত করবে যার মাধ্যমে কোনো সমস্যা বোঝানোর চেষ্টা করে। কান, মাথা এবং লেজ নিচু করে পেছনের দিকেও হাঁটতে দেখা যায় তাদের।,[object Object],আর সে যখন পিঠ ও লেজ ওপরের দিকে টান করে নিজেকে বড় দেখানোর চেষ্টা করে তখন বুঝতে হবে বিড়ালটি সত্যিই ভয় পেয়েছে। ভয় পাওয়া বিড়াল তার লিটার বক্সের বাইরে মলমূত্র ত্যাগ করতে পারে।

মানসিক চাপে থাকা বা ভীতু বিড়াল : এ ধরনের মেজাজে থাকা বেড়াল প্রায়ই লুকিয়ে থাকে, যেন এমন কিছু থেকে দূরে থাকতে চায় যা তাদের মানসিক চাপ সৃষ্টি করছে। কোথাও লুকিয়ে থাকতে না পারলে তারা শরীরের অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে এমন কিছু ইঙ্গিত করবে যার মাধ্যমে কোনো সমস্যা বোঝানোর চেষ্টা করে। কান, মাথা এবং লেজ নিচু করে পেছনের দিকেও হাঁটতে দেখা যায় তাদের। আর সে যখন পিঠ ও লেজ ওপরের দিকে টান করে নিজেকে বড় দেখানোর চেষ্টা করে তখন বুঝতে হবে বিড়ালটি সত্যিই ভয় পেয়েছে। ভয় পাওয়া বিড়াল তার লিটার বক্সের বাইরে মলমূত্র ত্যাগ করতে পারে।

 ,[object Object],[object Object],একটি বিড়াল খুব বেশি রাগান্বিত হয়ে কাউকে আঁচড় বা কামড় দেওয়ার আগে তার রাগ বোঝা যায় না। বেড়াল যখন খুব বেশি মানসিক চাপে বা ভয়ে থাকে তখন খুব দ্রুত রেগে যায়। তবে তারা কি খুঁজছে তা যদি জানে তাহলে আগে থেকেই আপনাকে সতর্ক করবে।,[object Object],আক্রমণ করার আগে বিড়াল স্থির হয়ে যায়। তারা তাদের লেজটি আছড়াতে পারে বা সোজা করে রাখতে পারে। তারা তাদের আক্রমণের দিকে লক্ষ্যস্থির করে। আবার রেগে গেলে বেড়ালের কান টানটান হয়ে যায় ৷,[object Object],আপনার বিড়ালের মধ্যে এ ধরনের আচরণ লক্ষ্য করলে সেখান থেকে সরে যান এবং তাকে শান্ত হওয়ার সময় দিন। এমন মেজাজে থাকা বিড়ালের কাছে কখনওই যাবেন না, কারণ সে আপনার উপর হামলা করতে পারে। আসলে তাঁর শরীরী ভাষার মাধ্যমে সে আক্রমণের বিষয়ে আপনাকে সতর্ক করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কোনো পশু বিশেষজ্ঞের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন।

রাগী বা আগ্রাসী বিড়াল : একটি বিড়াল খুব বেশি রাগান্বিত হয়ে কাউকে আঁচড় বা কামড় দেওয়ার আগে তার রাগ বোঝা যায় না। বেড়াল যখন খুব বেশি মানসিক চাপে বা ভয়ে থাকে তখন খুব দ্রুত রেগে যায়। তবে তারা কি খুঁজছে তা যদি জানে তাহলে আগে থেকেই আপনাকে সতর্ক করবে।
আক্রমণ করার আগে বিড়াল স্থির হয়ে যায়। তারা তাদের লেজটি আছড়াতে পারে বা সোজা করে রাখতে পারে। তারা তাদের আক্রমণের দিকে লক্ষ্যস্থির করে। আবার রেগে গেলে বেড়ালের কান টানটান হয়ে যায়৷

আপনার বিড়ালের মধ্যে এ ধরনের আচরণ লক্ষ্য করলে সেখান থেকে সরে যান এবং তাকে শান্ত হওয়ার সময় দিন। এমন মেজাজে থাকা বিড়ালের কাছে কখনওই যাবেন না, কারণ সে আপনার উপর হামলা করতে পারে। আসলে তার শরীরী ভাষার মাধ্যমে সে আক্রমণের বিষয়ে আপনাকে সতর্ক করার চেষ্টা করছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কোনো পশু বিশেষজ্ঞের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন।

 ,[object Object],[object Object],বিড়াল অসুস্থ বা আহত হলে বোঝা খুব কঠিন। কারণ তারা দুর্বলতা, অসুস্থতা এবং আহত অবস্থা খুব ভালোভাবে লুকিয়ে ফেলতে পারে। যতক্ষণ না পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা খুব বেশি খারাপ হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি বুঝতেও পারবেন না তার চিকিৎসা প্রয়োজন। বিড়াল অসুস্থ হলে সাধারণত খাবার বা জলের প্রতি অনীহা দেখায়, লিটার বক্সের বাইরে মলমূত্র ত্যাগ করে, খোঁড়াতে থাকে, মুখ খুলে নিঃশ্বাস নেয় এবং গড়গড় শব্দ করে। আপনার বেড়ালের এ ধরনের উপসর্গ দেখলে অবশ্যই পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিন।,[object Object],ভালোবেসে বিড়াল পোষেন অনেকেই। আবার অনেকেই পোষার চিন্তা করছেন। তাঁরা বিড়াল আনার আগে উপরের বিষয়গুলো মাথায় রাখলে নিশ্চিন্তে বিড়াল পুষতে পারবেন।

অসুস্থ বা আহত বিড়াল : বিড়াল অসুস্থ বা আহত হলে বোঝা খুব কঠিন। কারণ তারা দুর্বলতা, অসুস্থতা এবং আহত অবস্থা খুব ভালোভাবে লুকিয়ে ফেলতে পারে। যতক্ষণ না পর্যন্ত তার শারীরিক অবস্থা খুব বেশি খারাপ হয় ততক্ষণ পর্যন্ত আপনি বুঝতেও পারবেন না তার চিকিৎসা প্রয়োজন। বিড়াল অসুস্থ হলে সাধারণত খাবার বা জলের প্রতি অনীহা দেখায়, লিটার বক্সের বাইরে মলমূত্র ত্যাগ করে, খোঁড়াতে থাকে, মুখ খুলে নিঃশ্বাস নেয় এবং গড়গড় শব্দ করে। আপনার বেড়ালের এ ধরনের উপসর্গ দেখলে অবশ্যই পশুচিকিৎসকের পরামর্শ নিন।