বয়সের ব্যবধান বেশি হলে যেসব সমস্যার মুখে পড়েন দম্পতিরা

বিয়েতে বয়সের বাধা এখন আর তেমন নেই। বয়সে ১০ বছরের ছোট ছেলেদের যেমন বিয়ে করছেন মেয়েরা, তেমনই ৪৩ বছর বয়সে এসে ২৭ বছরের তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন এরকমও অনেকেই আছেন। কেউ বাড়ির সম্মতিতে কেউ আবার পরিবারের কোনো সমর্থন ছাড়াই নিজের সিদ্ধান্তে বিয়ে করছেন। প্রথম প্রথম সব কিছু ঠিক থাকলেও পরবর্তীতে গিয়ে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই কিছু তথ্য।

সামাজিক চাপ

যতই সমাজকে তোয়াক্কা করে চলার চেষ্টা করা হোক না কেন, এমন বিবাহে নানা রকম সামাজিক চাপ থাকেই। বিশেষত পড়শির নিন্দা। কেন ছেলের বয়স বেশি, কেন ছেলে ডিভোর্সি এসব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে তারা ভোলেন না। আর সেই চাপ কোনো এক সময় এসে পড়ে সম্পর্কে। এছাড়াও মেয়ের বয়স যদি ছেলের তুলনায় বেশি হয়, সেখানেও তখন তাকে চরিত্র নিয়ে খোঁচা খেতে হয়।

মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়

বিয়ের পর সব ঠিক থাকলেও পরবর্তীতে কিন্তু মানিয়ে নিতে সমস্যা হয়। ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়িয়ে স্বাধীনমতো বন্ধুরা ঘুরে বেড়াচ্ছে আর সে আটকে পড়ছে বেড়াজ্বালে তখন সেখান থেকেই আসে হতাশা, মানসিক সমস্যা। শুরু হয় নিজেকে নিয়ে অন্যের সঙ্গে তুলনা।

ভাবনা এক হয় না

২৮ বছরের একটি ছেলের মানসিকতা আর ৪১ বছরের ব্যক্তির মানসিকতায় যথেষ্ট ফারাক থাকে। যখন ২৯ বছরের মেয়েটি দেখবে তার বন্ধুদের স্বামীর বয়সের ব্যবধান কম আর তার বর তার থেকে ১২ বছর বয়সে বড় তখন হতাশা আসবে। টাকা-পয়সা দিয়ে জীবনের সুখ-শান্তি বিচার করা যায় না।

সন্তানের প্রসঙ্গ

বয়সের ফারাক কম-বেশি হলেই সন্তান চাওয়ার ক্ষেত্রেও সমস্যা হয়। যে মেয়েটি তার থেকে ৮ বছরের বড় কাউকে বিয়ে করে তার ক্ষেত্রে চাপ আসে বেশি। কারণ বয়সের কথা মাথায় রেখে বিয়ের এক বা দুবছরের মধ্যেই তাকে সন্তান, মাতৃত্ব এসব নিয়ে ভাবতে হয়। অন্যদিকে যে সব ছেলে অনেকটাই কম বয়সে বিয়ে করে তাদের এসব নিয়ে ভাবতেও চায় না। ফলে সংসারে সমস্যা, অশান্তি লেগেই থাকে।

যৌন জীবনে সমস্যা

যারা এমন বয়সের ফারাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন, তারা সব সময় এই সমস্যার কথা মুখে স্বীকার না করলেও তা কিন্তু আসতে বাধ্য। কারণ ২৭ বছর বয়সে মানুষের যে যৌন উত্তেজনা থাকে ৪৫ বছর বয়সে এসে তার অনেকটাই ঘাটতি পড়ে যায়। ফলে সমস্যা বাড়ে।