সাকিবের আলোচিত সব ঘটনা

চেরাগদানী ডেস্ক: সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্ণিল এক চরিত্র। মাঠ এবং মাঠের বাইরের সব জায়গাতেই তার বিচরণ রাজার মতো। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ২২ গজে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জয়ে আছে তার অবদান। মাঠের বাইরের আলোচনাতেও শীর্ষে সাকিব। হোক সেটা ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক।

সাকিব আল হাসান, অভিষেক ম্যাচেই জানান দিয়েছিলেন তিনি বিশেষ কিছু। এরপর যত সময় গিয়েছে, তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য এক উচ্চতায়। বাংলাদেশ ক্রিকেটের রাজপুত্র আজ যেখানে আসীন, সেখানে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে এখন কোটি তরুণ। তবে, ২২ গজে এবং পারিবারিক জীবনে প্রচন্ড গোছানো এই সাকিব-ই একটু বিপরীত মাঠের বাইরে। যার জন্য বার বার তাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে ৫৬ হাজার বর্গমাইলে।

শুরুটা ২০১৪ সালে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ড্রেসিং রুমে বসে থেকে টিভি ক্যামেরায় বাজে অঙ্গভঙ্গি করেন সাকিব। ফলাফল, ক্ষুব্ধ বোর্ড তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করে তাকে, সঙ্গে জরিমানা করা হয় তিন লাখ টাকা। ভাবা হয়েছিলো, এই শাস্তি হয়তো বদলে দেবে সাকিবকে।

কিন্তু আদোতে দেখা গেলো, যে তিমিরে তিনি ছিলেন, রয়ে যান সেখানেই। অভিযোগ উঠে সিপিএলে না কি খেলতে গিয়েছিলেন এনওসি না নিয়ে। পরে আবার এ বিষয় নিয়ে কোচ হাথুরুর সঙ্গেও বিবাদে জড়ান সাকিব। ফলাফল, এবার শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা দেয় ক্রিকেট বোর্ড। পাশাপাশি দেড় বছরের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয় তার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট খেলা। যদিও, সাকিবের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরে সে শাস্তি কমেছিলো ৩ মাস।

এরপর দুই দফায় গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেও সমালোচিত হন সাকিব।

২০১৭ সালে আবারো আলোচনায় সাকিব। দক্ষিণ আফ্রিকায় দল গেলেও, ৬ মাসের ছুটি চেয়ে বসেন তিনি। জানান, মানসিক অবসাদ কাটাতে মাঠের বাইরে থাকতে চান বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার। কোচ হাথুরুসিংহ ছুটি দিতে রাজি না থাকলেও, বোর্ডের মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত তিন মাসের ছুটি পান সাকিব। মিস করেন দুটি টেস্ট।

শুরু হয় নতুন আলোচনা, টেস্ট খেলতে আগ্রহী নন সাকিব আল হাসান।

২০১৯ বিশ্বকাপের আগে আইপিএলে দল পেলেও মাঠে খেলা পাচ্ছিলেন না মিস্টার সেভেন্টি ফাইভ। দেশ থেকে উড়িয়ে নিলেন নিজের গুরুকে। এরপরের গল্পটা সবারই জানা। অতিমানবীয় এক পারফরম্যান্সে নজর কাড়েন ক্রিকেট বিশ্বের। তবে, সেখানে যাওয়ার আগে দলীয় ফটোশেসনে অংশ না নিয়ে হতাশ করেন সমর্থকদের।

বিশ্বকাপ থেকে ফিরে এসেই ছুটিতে যান সাকিব, আর দল যায় শ্রীলঙ্কায়। এরপর ছুটি কাটিয়ে এসে শুরু হয় আফগানিস্তান টেস্ট। কিন্তু, অধিনায়কত্ব নিয়ে অনীহা জানিয়ে আবারো আলোচনার খোড়াক দেন। পরে আফগানদের বিপক্ষে লজ্জার পরাজয়ে ডুবে বাংলাদেশ।

এরপরই ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার নেতৃত্ব দেন সাকিব। বোর্ডের বিপক্ষে শুরু হয় ক্রিকেটারদের আন্দোলন। অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঢাল হয়ে দাঁড়ান সতীর্থদের পাশে। তবে, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা আশে এরপরই। আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়েন সাকিব। অভিযোগ, বাজিকরদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য জানান নি আকসুকে। ফলাফল, এক বছরের নির্বাসন ক্রিকেট থেকে।

কোভিড পরবর্তী পৃথিবীতে মাঠে ফিরেই ইনজুরিতে পড়েন উইন্ডিজের বিপক্ষে। কিন্তু, সেটা ছাপিয়েও আলোচনায় চলে আসে তার ছুটির প্রসঙ্গ। নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা সিরিজ খেলতে অনীহা জানান তিনি। আইপিএলে খেলার অনুমতি চেয়ে ঝড় তুলেন ক্রিকেট পাড়ায়। বোর্ড থেকে ছুটি দেয়া হলেও, আবারো আলোচনায় আসে পুরানো একটা কথা। টেস্ট খেলতে চান না সাকিব আল হাসান। আর পরের অংশটা তো আমাদের সবারই জানা।

সাকিব আল হাসান, বাংলাদেশ ক্রিকেটের বর্ণিল এক চরিত্র। মাঠ এবং মাঠের বাইরের সব জায়গাতেই তার বিচরণ রাজার মতো। ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই ২২ গজে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জয়ে আছে তার অবদান। মাঠের বাইরের আলোচনাতেও শীর্ষে সাকিব। হোক সেটা ইতিবাচক কিংবা নেতিবাচক।

সাকিব আল হাসান, অভিষেক ম্যাচেই জানান দিয়েছিলেন তিনি বিশেষ কিছু। এরপর যত সময় গিয়েছে, তিনি নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য এক উচ্চতায়। বাংলাদেশ ক্রিকেটের রাজপুত্র আজ যেখানে আসীন, সেখানে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে এখন কোটি তরুণ। তবে, ২২ গজে এবং পারিবারিক জীবনে প্রচন্ড গোছানো এই সাকিব-ই একটু বিপরীত মাঠের বাইরে। যার জন্য বার বার তাকে নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে ৫৬ হাজার বর্গমাইলে।

শুরুটা ২০১৪ সালে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজে ড্রেসিং রুমে বসে থেকে টিভি ক্যামেরায় বাজে অঙ্গভঙ্গি করেন সাকিব। ফলাফল, ক্ষুব্ধ বোর্ড তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করে তাকে, সঙ্গে জরিমানা করা হয় তিন লাখ টাকা। ভাবা হয়েছিলো, এই শাস্তি হয়তো বদলে দেবে সাকিবকে।

কিন্তু আদোতে দেখা গেলো, যে তিমিরে তিনি ছিলেন, রয়ে যান সেখানেই। অভিযোগ উঠে সিপিএলে না কি খেলতে গিয়েছিলেন এনওসি না নিয়ে। পরে আবার এ বিষয় নিয়ে কোচ হাথুরুর সঙ্গেও বিবাদে জড়ান সাকিব। ফলাফল, এবার শৃঙ্খলা ভঙের দায়ে ৬ মাসের নিষেধাজ্ঞা দেয় ক্রিকেট বোর্ড। পাশাপাশি দেড় বছরের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয় তার ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট খেলা। যদিও, সাকিবের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরে সে শাস্তি কমেছিলো ৩ মাস।

এরপর দুই দফায় গ্যালারিতে থাকা দর্শকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেও সমালোচিত হন সাকিব।

২০১৭ সালে আবারো আলোচনায় সাকিব। দক্ষিণ আফ্রিকায় দল গেলেও, ৬ মাসের ছুটি চেয়ে বসেন তিনি। জানান, মানসিক অবসাদ কাটাতে মাঠের বাইরে থাকতে চান বিশ্ব সেরা অলরাউন্ডার। কোচ হাথুরুসিংহ ছুটি দিতে রাজি না থাকলেও, বোর্ডের মধ্যস্থতায় শেষ পর্যন্ত তিন মাসের ছুটি পান সাকিব। মিস করেন দুটি টেস্ট।

শুরু হয় নতুন আলোচনা, টেস্ট খেলতে আগ্রহী নন সাকিব আল হাসান।

২০১৯ বিশ্বকাপের আগে আইপিএলে দল পেলেও মাঠে খেলা পাচ্ছিলেন না মিস্টার সেভেন্টি ফাইভ। দেশ থেকে উড়িয়ে নিলেন নিজের গুরুকে। এরপরের গল্পটা সবারই জানা। অতিমানবীয় এক পারফরম্যান্সে নজর কাড়েন ক্রিকেট বিশ্বের। তবে, সেখানে যাওয়ার আগে দলীয় ফটোশেসনে অংশ না নিয়ে হতাশ করেন সমর্থকদের।

বিশ্বকাপ থেকে ফিরে এসেই ছুটিতে যান সাকিব, আর দল যায় শ্রীলঙ্কায়। এরপর ছুটি কাটিয়ে এসে শুরু হয় আফগানিস্তান টেস্ট। কিন্তু, অধিনায়কত্ব নিয়ে অনীহা জানিয়ে আবারো আলোচনার খোড়াক দেন। পরে আফগানদের বিপক্ষে লজ্জার পরাজয়ে ডুবে বাংলাদেশ।

এরপরই ক্যারিয়ারের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনার নেতৃত্ব দেন সাকিব। বোর্ডের বিপক্ষে শুরু হয় ক্রিকেটারদের আন্দোলন। অধিকার আদায়ের সংগ্রামে ঢাল হয়ে দাঁড়ান সতীর্থদের পাশে। তবে, বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় ধাক্কাটা আশে এরপরই। আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় পড়েন সাকিব। অভিযোগ, বাজিকরদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য জানান নি আকসুকে। ফলাফল, এক বছরের নির্বাসন ক্রিকেট থেকে।

কোভিড পরবর্তী পৃথিবীতে মাঠে ফিরেই ইনজুরিতে পড়েন উইন্ডিজের বিপক্ষে। কিন্তু, সেটা ছাপিয়েও আলোচনায় চলে আসে তার ছুটির প্রসঙ্গ। নিউজিল্যান্ড এবং শ্রীলঙ্কা সিরিজ খেলতে অনীহা জানান তিনি। আইপিএলে খেলার অনুমতি চেয়ে ঝড় তুলেন ক্রিকেট পাড়ায়। বোর্ড থেকে ছুটি দেয়া হলেও, আবারো আলোচনায় আসে পুরানো একটা কথা। টেস্ট খেলতে চান না সাকিব আল হাসান। আর পরের অংশটা তো আমাদের সবারই জানা। সূত্র: সময় নিউজ