সিলিন্ডারে কতটা গ্যাস আছে যেভাবে বুঝবেন

একটা সময়ে মাটির চুলায় রান্না করা হতো। তখন রান্না হাড়ি-পাতিল ও ঘরে কালি হতো। তাই মাঝে মাঝেই ঘর পরিস্কার করতে হতো। প্রযুক্তির কল্যাণে এখন গ্যাসের চুলায় রান্না করা যায়। গ্যাসের চুলায় কালির ভয় থাকে না। ঘরও কম ময়লা হয়। তাই সবার আগ্রহ গ্যাসের চুলায়। গ্রামের বাড়িতেও পৌঁছে গেছে গ্যাসের চুলা। ঢাকার ফ্ল্যাট বাসায় মাটির চুলায় রান্না করা সম্ভবও না।

গ্যাস শঙ্কটের কারণে গ্যাস কোম্পানীগুলো নতুন লাইন দিতে চায় না। তাই নতুন তৈরি হওয়া বাসা-বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্টে সিলিন্ডারের গ্যাস ব্যবহার করতে হয়। সিলিন্ডারের গ্যাসে রান্না করতে গিয়ে কখন গ্যাস শেষ হয়ে যায় টের পাওয়া যায় না। অনেক সময় রান্নার মাঝে গ্যাস কেন এনে রান্না শেষ করতে হয়। বাসায় আত্মীয়-স্বজন এলে রান্নার মাঝে গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়া ও গ্যাস কিনে আনা বিরক্তিকর বিষয়।

সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হওয়ার আগে কিন্তু ইঙ্গিত পাওয়া যায়। ছোট্ট কায়দা জানা থাকলে আর রান্নার মাঝপথে গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ার সমস্যায় পড়তে হবে না।

এক. সিলিন্ডারে গ্যাস শেষ হলে আগুনের রং হবে লাল রঙের। এটা সাধারণত হয় দুটি কারণে। ১. গ্যাস শেষ হওয়ার আগে। ২. বার্নার বা ওভেনে ময়লা জমলে।

দুই. আরও একটি সহজ উপায়ে বোঝা যায়, সিলিন্ডারের গ্যাস শেষ হয়ে গিয়েছে কি না। তবে এই পদ্ধতি অবলম্বন করতে হবে খুব সাবধানে।
প্রথমে সিলিন্ডারের সমস্ত ময়লা ভালো করে মুছে ফেলতে হবে। তারপর একটি ভেজা কাপড় দিয়ে পুরো সিলিন্ডার মুছতে হবে। এরপর সিলিন্ডারের দিকে নজর রাখতে হবে। সিলিন্ডারটিকে শুকাতে দিতে হবে।

খেয়াল রাখবেন, সিলিন্ডারের যে অংশের পানি দ্রুত শুকাচ্ছে সেখানে গ্যাস নেই বলে ধরতে হবে। যে অংশ শুকাতে দেরি হবে সেখানে গ্যাস আছে বলে ধরতে হবে।

সিলিন্ডারের ভেতরে যে গ্যাস থাকে সেটি তরল অবস্থায় থাকে। আর সেটি বাইরের তাপমাত্রার থেকে কম হয়। ফলে যে অংশে গ্যাস থাকে সেই জায়গা শুকাতে সময় লাগে বেশি।